মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ

নামঃ ৬নং ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ

অবস্থান ও পরিচিতিঃ গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় সাত কি.মি.দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়-টিলা-নদী বেষ্টিত ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন অবস্থিত। এর পূর্বে বুধবারীবাজার এবং উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়ন, দক্ষিণে লক্ষীপাশা ও লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন, উত্তরে আমুড়া ও গোলাপগঞ্জ পৌরসভা অবস্থিত।

 

ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের মোট আয়তন ২৮.৮৬ বর্গ কি.মি. (প্রায় ৭১২৭.২৬ একর), এর মধ্যে মোট আবাদী জমির পরিমাণ-৪১৩৯ একর।

ঢাকাদক্ষিণইউনিয়নে ৭টি মৌজার অন্তর্গত মোট ১১টি গ্রাম রয়েছে।

গ্রামগুলো হচ্ছে -রায়গড়, দত্তরাইল, বারকোট, কানিশাইল, লামা বারকোট, মিশ্রপাড়া, নগর, খর্দ্দাপাড়া, নিজতফা বেজগাঁও, সুনামপুর, ইসলামপুর।

ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের মেটা জনসংখ্যাঃ ৩৪২২৭ জন।

 

নব গঠিত পরিষদের বিবরণ –

                          ১) শপথ গ্রহণের তারিখ – ২৬/০৫/২০১৬ইং

                          ২) প্রথম সভার তারিখ – ৩১/০৮/২০১৬ ইং

                         ৩) মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিথ – ২৬/০৮/২০২১ইং

ইউনিয়ন পরিষদ জনবল –

               ১) নির্বাচিত পরিষদ সদস্য – ১২ জন।

               ২) ইউনিয়ন পরিষদ সচিব – ১ জন।

              ৩) ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ – ৫জন।

 

ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (তথ্য ও সেবা কেন্দ্র) - ক্লিক করুন

 

ইউনিয়নেরদাপ্তরিক কাজের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন। ঢাকাদক্ষিণইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামে অবস্থিত এবং ঢাকাদক্ষিণচৌমুহনী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। ঢাকাদক্ষিণ এলাকার সর্বোচ্চপর্বতশ্রেণির নাম কৈলাশটিলা যার উচ্চতা প্রায় ২২০ ফুট।

 

ঢাকাদক্ষিণের ইতিহাস ‍ঃ

প্রাচীন ইতিহাস - ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ এক জনপদের নাম ঢাকাদক্ষিণ। সিলেটের তরল সোনায় মথিত গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঠিক মধ্যখানে কুশিয়ারা, কাকেশ্বরী আর কুড়া নদীরকোল ঘেষে গড়ে ওঠেছে সিলেটের প্রাচীন ব্যবসা কেন্দ্র ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন।

ধর্ম-রাজনীতি-মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি কারণে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে প্রায় ত্রিশ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের নদী-পাহাড়-টিলা বেষ্টিত সমৃদ্ধ এইইউনিয়নটি।

ইতিহাস ঘেটে জানা যায় মুঘল আমলে বর্তমান গোলাপগঞ্জ উপজেলার আয়তনাধীন এলাকার রাজস্ব আদায়-উশুল তহবিলের ঘাটি ছিল বর্তমানঢাকাদক্ষিণ। পরবর্তীতে ইংরেজ আমলে হেতিমগঞ্জ এলাকায় থানা সদর স্থাপিত হলেঢাকাদক্ষিণ তার প্রশাসনিক গুরুত্ব হারায়।ঐতিহাসিক বাণীপ্রসন্ন মিশ্রেরমতে, “ঢাকাদক্ষিণ যদিও শহর নয় তথাপি একে গ্রাম-সমষ্টিওবলা যাবেনা।দেশভাগের আগেই এখানে পোস্টঅফিস, ডাকবাংলো, ডিসপেনসারি, সাবরেজিষ্ট্রি অফিসছিল।”

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ঢাকাদক্ষিণ পাকিস্থানের অন্তর্ভুক্তহয়, ১৯৬২ সালে  ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে প্রতিষ্টিত হয় এবং মহান স্বাধীনতাযুদ্ধকালে নয়মাস পাকবাহিনীর দ্বারা বেষ্টিত থাকার পর ১৯৭১ সালের ১১ইডিসেম্বর ঢাকাদক্ষিণ পাকিস্তান মুক্ত হয়। সেইসাথে অন্তর্ভুক্ত হয় স্বাধীনবাংলাদেশের অংশ হিসেবে।

২০১২ সালের ১১ই ডিসেম্বর ঢাকাদক্ষিণসাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ নামক সংগঠনের উদ্যোগে প্রথবারের মত পালিত হয়ঢাকাদক্ষিণ পাকিস্তান মুক্ত দিবস। এরপর থেকে বিভিন্ন দল-সংগঠন এই দিবসটিকেযথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে আসছে।

 

দর্শনীয় স্থানঃ ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থানগুলো হচ্চেঃ

০১। ঐতিহাসিক কৈলাশটিলা।

০২। বৈঞ্চব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্যদেব’র পৈতৃক বাড়ী ও মন্দির।

০৩। পাঁচপীরের মাজার।

০৪। বড়পোতার মোকামটিলা।

০৫। কানিশাইল  শিববাড়ী।

 

ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যাঃ ৩৪৩৭০ জন।

 

শিক্ষাপ্রতিষ্টান

বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

১ টি

 

স্কুল ও কলেজ কলেজ

০৪টি

 

মাধ্যমিক বিদ্যালয়

০১

 

নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

০৩

 

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫টি

   
 

মাদ্রাসা

১৪টি

   
   

ধর্মীয় প্রতিষ্টান

 

মসজিদ: ৬২ টি

মন্দির: ০৯ টি

শ্মশান: ০৪ টি

ঈদগাহ ১৪ টি

কবরস্থান: ১৯ টি


Share with :
Facebook Twitter